পথের শুরু

♦

মানব জীবন বড়ই অদ্ভূত। ছোট সময় ভাবতাম কবে বড় হবো, আর এখন ভাবি কেন বড় হলাম!! তাহলে জীবনের শুরু থেকেই বলি। আমি ১৯৯৮ সালের মার্চ মাসের ৩০ তারিখ জন্ম গ্রহণ করেছিলাম। যদিও সার্টিফিকেটে জন্ম ১৯৯৯ সাল দেয়া। যাই হোক, আসল কথায় আসি। যখন আমি জন্ম হয়েছিলাম, তখন আমার কেউ ছিলনা। ছিলনা কোনো টাকা পয়শা, আমি নিতান্তই গরিব ছিলাম। এমন কি আমার কোনো আত্নীয় সজনও ছিলনা। ঠিক এমনই সময়ে স্নেহ আর ভালোবাসার হাত নিয়ে আমার পাশে দাড়ালো একটা মানুষ। তার একটা ছোট্ট নাম আছে, সে আর কেহ না। 'সে হলো মা।" আমি আস্তে আস্তে হাত, পা নাড়াতে শিখলাম। যতো দিন যায় আমি ততোই বড় হয়ে উঠি। ধিরে ধিরে হাটতে শিখলাম, তারপর এক্টুএক্টু করে কথা বলাও শিখলাম। ক্রমেই আমি যেন সব বুঝে উঠতে লাগলাম। ধিরে ধিরে আমার বন্ধুর সংখ্যাও বারতে লাগলো। এরপর হঠাৎ একদিন আব্বু নামক একটা লোক বাজার থেকে কি যেনো নিয়ে আসলেন। তাতেও সমস্যা ছিলনা। সমস্যাটা হলো তখন, যখন আব্বুর আনা জিনিষ্টা নিয়ে আমার সামনে আসলো আম্মু। তারপর কি যেন বলতে লাগলো, পড়......... "অ"....."আ"......ই........। এর কিছুদিন পর হতে ক্রমেই আম্মু আমার উপর কঠর হতে থাকেন। বেশ কিছুদিন পর আব্বু আমায় নিয়ে গেলেন একটা চিড়িয়াখানায়, যেখানে আমার মতো আরো অনেক বাচ্চারা থাকে। সবার সাথে খেলা করা যাবে ভেবে আমিতো খুব খুশি। কিন্তু আমার সব খুশি মাটি করে দিয়ে সেই বাচ্চারা জোরে জোরে বলতে শুরু করলো......"অ"....."আ"......"ই"....। যাহোক, সেখানে কিছু দিনের মধ্যেই আমার বেশ কিছু বন্ধু হয়েছিলো। শুরু হলো আমার লেখা পড়া....। সময়ের পরিক্রমায় এখন আমি “মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি”তে অধ্যায়োনরত। এভাবেই চলতে থাকে, অতিবাহিতো হতে থাকে আমার জীবনতরি..............।

♦আর এখন এই করনা ক্রান্তিলগ্নেও আমি বেচে আছি।
জানিনা ভবিশ্ব্যতে আমার জন্যে কি অপেক্ষা করছে। অবশেষে কবি মুহিব খানের একটা কবিতা শুরু করেই আমার গল্প শেষ করবো।
"জন্ম তোমার কখোন কোথায় সেতো বড় নয়, কর্ম তোমায় কোথা নিয়ে যায় সেই পরিচয়।"



Comments